চিন্তার অপরিপক্কতা

অনেক সময় পর নিজেকে আবিষ্কার করলাম, চিন্তা করার পদ্ধতির উপর আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। রাখাল ছেলে গরুর পাল চড়িয়ে যেমন ধান খেতের আইলে পায়ের ছাপ রেখে যায় ঠিক তেমনি পায়ের ছাপ রেখে স্বাধীন ভাবে এক অপরিপক্ক মই বেয়ে ছুটছিলাম। এই মইয়ের মাঝে যদি কখনো শূন্যতা বিরাজ করে সেটা পূরণ করতে পারি নি আমি। আমরা এক সময়কার চিন্তা আরেক সময় করতে পারি না। হয়তো আমরা হবে না, আমি হবে। রাতের শেষ প্রহর ঘনিয়ে আসছে ক্রমশ। এইসব কিবোর্ডের উপর জ্বালাতনের দিন একদিন শেষ হবে। সেদিন কে করবে কোড, কে লিখবে কন্টেন্ট, কে লিখবে মেইল, কে লিখবে চিঠি, কে লিখবে বায়ার কে প্রপোজাল, কে শিখবে ডিজাইন? সেদিনকার মানুষ আর যাপিত করা এখনকার মানুষ টা একই থাকা সত্ত্বেও সব কিছু কেমন যেনো ঘনিয়ে আসবে! আজকের এই সকল সুন্দর প্রযুক্তির জীবন একটা সময় অনুপস্থিত ছিল। ঠিক তারা কি করে তাহাদের জীবন কে সার্ভাইভ করে গিয়েছিলো! আমাদের সময়টা তে আমরা জীবনের প্রতিপাদ্য খুঁজতে পারি না প্রযুক্তির সাহায্য ছাড়া। জীবন কালচারের পরিবর্তন কত দ্রুতই না হয়ে গেলো!

ইদানিং মাঝে মাঝেই আমার মনে হয়, এই সুন্দর পৃথিবীটা ছেড়ে, আমার প্রিয় চিরচেনা মুখগুলো ছেড়ে হয়ত কোন একদিন চলে যেতে হবে অজানার পানে। হয়ত চলে যেতে হবে অনন্তের পথে… আর ফিরে যাওয়া হবে না পুরোনো প্রিয় বন্ধুদের আড্ডায়, মায়ের আঁচলে মুখ মোছা হবেনা, কাছের মানুষের সাথে অভিমান করে কষ্ট পাওয়া যাবেনা… মনে হলে বুকের কোণে একটা ব্যথা অনুভূত হয়… দেখা হবে না উড়ন্ত পাখির ঝাক, নদী আমাকে আর ডাকবে না, গাছ আমাকে ছায়া দেবে না… সুখ, দুঃখ তখন রাগ করবে আমাকে না দেখে। আংরাভাসা নদীর জলে কিশোর অনিমেষ যতটা ভিজেছিলো, অমন করে কি ভিজেছে মহানন্দায় কেউ? রাতগুলোর একেকটার পারমিয়াবেলিটি বড্ড কম বলে মনে হয়, অস্থিরতার জেটপ্যাক হয়ে ছুটে বেড়ায় অন্তরীক্ষে।

সময় এগিয়ে যাচ্ছে। ব্রেন ক্লান্ত হলে দেহ বা মন ও ক্লান্ত হয় তো? শহুরে ইট-কাঠ-পাথরের জীবনে আমাদের বেড়ে ওঠায় হবার কথা সাররিয়াল কিছু লেখাজোকা। অস্থির অদ্ভুতুড়ে অনায্য এই তরঙ্গহীন জীবনসমুদ্রে আমাদের গভীরতা আসবে কোত্থেকে? আমাদের জীবনযাত্রার আগাগোড়া অস্থির। সবকিছুই স্বল্পসময়ের জন্য, অস্থিরতার জন্য, অতৃপ্তির জন্য…

বিশ বসন্তের ছোয়া

তারপর এরকম নরম রোদের, হালকা আলোর বিষণ্ণ শীতের বিকেলগুলো টুপ করে শেষ হয়ে যায়। ঘর প্রিয় মানুষগুলি সন্ধ্যা নামার পরই ঘরে ফিরতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে চিতই আর ভাপা পিঠার ধোঁয়ার সাথে এক হয়ে মিশে যায় পাশের টঙের চা আর সিগারেটের ধোঁয়া। এসব সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই সময়গুলাতে আমার হেঁটে বেড়াতে ভালো লাগে। হুডির পকেটে হাত পুরে দিয়ে আমি মানুষ দেখতে দেখতে হাঁটি। সবচেয়ে ভালো লাগে সিদ্বেশ্বরী কালি মন্দিরের রাস্তাটা ধরে বেইলি রোডের নাটকপাড়া দিয়ে রমনার দিকে এগিয়ে যেতে। সুযোগ পেলেই এ রাস্তা ধরে হেঁটে বেড়াই। গাছ গাছালি ঘেরা,শান্ত,নিরিবিলি ফুটপাতের ধার ঘেঁষে বসে থাকার মানুষগুলোর বন্ধুত্ব দেখি,প্রেম দেখি। বড় ভালো লাগে দেখতে।

এখন আর তেমন সময় হয়না। অথচ একটা সময়ে প্রায় ওদিকে যাওয়া হত। যে সময়টাতে প্রতিটা ছেলের বুকের মাটি সেরেটোনিন আর ডোপামিনে সিক্ত হয়ে নরম হয়ে উঠে, যে বয়সটাতে হঠাৎ এক বিকেল চড়ুই এসে সে মাটিতে দাপাদাপি করে বেড়ায়, যার তীব্র মুগ্ধতা ধারালো নখরের মত ক্ষতবিক্ষত করে সেই সময়টাতে। একটা ছেলে কত শত আঘাতে বড় হয়, বিশ বসন্ত পার করে ফেলে সে খবর কেউ জানেনা। ছেলেদের সেসব আঘাত স্তনের লজ্জায় থাকেনা, স্তন ছাড়া এ সমাজের চোখে যে আবার পড়েনা কিছুই। অথচ একটা ছেলেও বিষণ্ণ চক্রের ভেতর দিয়ে নিজের বড় হওয়ার সাক্ষী হয়, কথার পিঠে কথা সাজিয়ে নিজের সাথে গল্প করে।

বলছিলাম এখন আর সময় হয়ে উঠেনা। খুব অলস আর ঘরকুনো আমি। ঘড়ির কাঁটা রাতের দিকে যাত্রা শুরু করলেই আমার এমন লাগে। সেসব দিনগুলোতে আমি তৃষিতের মত ছুটির দিনের অপেক্ষা করতাম। তারপর প্রতি শুক্র শনিতে বেলা এগারোটা অবধি বিছানার সাথে এক সঙ্গমসম সুখের বন্ধন ছেড়ে উঠতাম দিন শুরুর তাগিদে। অথচ সেসব ছুটির দিনেও আমার মা সকাল থেকেই ঘরের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। চারজন মানুষের রোজকার খাবার থেকে শুরু করে সব কিছু করে চলেছে। অসুস্থতা আছে, ক্লান্তি আছে, একঘেয়েমি আছে অথচ ছুটি নেই, বিশ্রাম নেই। একটা সময় ছুটির জন্য অসহ্যবোধ করা আমার এ কথা ভাবতেই লজ্জাবোধ হতে থাকে।

এরকম একটা সময় জীবনে আসবে যখন কোন একদিন যেদিন স্বপ্নের মায়াবতীকে আমি সঙ্গীরূপে পেয়ে যাবো। সেই আপনজন হয়ত অফিস টফিস করবে বা ঘরের দায়িত্বকে একেবারে চেনা পরিচিত ভুবনের মত নিজের করে নিবে। একটা সময় যে মাছের গন্ধ, মাংসের থকথকে ভাব মোটেই সহ্য করতে পারত না সে মেয়েটাই কোন একটা সকালে কাজের মানুষ নেই বলে মাছ কুটতে বসে যাবে। একটা সংসার জীবন কাটাতে গিয়ে কতবার যে তার কোমল হাত ধারালো বটির নিচে কেটে একাকার হবে, ফিনকি দেয়া রক্তে নীল হবে তার স্নিগ্ধ চেহারা তার সঠিক হিসেব আমি কোনদিনও জানব না। এসব জানে না কোন পুরুষই, জানেনা কতবার তার প্রেয়সী হাত পুড়ে ফেলে গরম কড়াই, কিংবা তেলের ছিটায়। এরকম প্রবল ভালোবাসার কি প্রতিদান হয়? প্রতিদান বলে ভালোবাসায় কিছু নেই, ভালোবাসায় যা দেয়া হয় সব উজাড় করেই দেয়া হয়, তার প্রতিদান চায় না কেউই। তবু শত গুণ করে সে ভালোবাসা ফিরিয়ে দেয়ার চেষ্টা তো করাই যায়।

এরকম এলেবেলে চিন্তার এক সন্ধ্যায় আমি দেখি আমার জীবনের বিশটা বছর হারিয়ে গেছে, হারিয়ে গেছে বিশ গ্রীষ্ম, বর্ষা। আগামী বিশ বছর কাটাতে গিয়ে আমার ডায়াবেটিস হবে, করোনারি জটিলতায় বুকে ব্যথা উঠবে গভীর রাতে, ভাঁজ পড়বে শরীরের চামড়ায়। কি অদ্ভুত ব্যাপার। সেদিন মনে হবে কত কি করার ছিল আমার অথচ আমি কিছুই পারিনি, করিনি সেসবের। আমার জন্ম হয়েছে ভরা কুয়াশাছন্ন শীতের সকালের শেষ বেলায়, প্রথম সপ্তাহখানেকের অধিক সময় কেটেছে মায়ের উষ্ণতাহীন, ওমহীন ইনকিউবেটরে,আমার মৃত্যু হবে প্রিয়জনদের ইচ্ছে পূরণ করতে না পারার শীতল অসহায়ত্ব নিয়ে। এসবের কোন মানে হয়? -বিশের শেষ প্রহর

– ২০ ডিসেম্বর, ২০১৬।

tag urself as a student

i.d.g.a.f:  goes to school unbothered, doesn’t give a shit about makeup or looking nice, constantly has a water bottle filled, when they’re not taking notes they’re sleeping in class, goes home and actually studies/does homework, bottles up emotions, wants to travel

covfefe: lives their life on coffee and tea, always participates in class discussions, likes to observe, challenges themselves sometimes a little too much, needs more sleep, always trying to make plans to fill up their schedule, likes aesthetics

netflix & procrastinate: honestly wants to do well, gets distracted easily, when they’re focused they get shit done, pulls lots of all nighters, tells everyone ‘im fine’ when not fine, accidentally skips breakfast, loves their friends, gets anxiety over tests and quizzes

pastel: is always organized, loves to journal, actually listens to the teacher, people think they’re always super sweet, wants to visit japan, loves animals, does research for fun, looks over work 948208 times before turning it in, watches horror movies and then regrets it

complaint department: acts like they didn’t have enough time to do homework (they did), blames others for their problems, doesn’t study then cry when they get a bad grade, secretly is very insecure, is always out “sick”, acts better than others for no reason sometimes

chilly child: is very relaxed but knows how to work, is nice to their teachers, tries to avoid half-assing things, loves autumn, likes studying with other people, is very self motivating, tries not to focus on the letter grade but rather how hard they worked, and tbh they’re just tryna enjoy life,

আমিও সুখী ছিলাম একদিন।

জীবনে উথান-পাথান থাকবে স্বাভাবিক। উথান-পাথানের মাঝে আটকে গেলে তখন সেই দুঃসময় টা থেকে বের হয়ে আসাটাই হয়ে দাঁড়ায় চ্যালেঞ্জিং। প্রতেকটা মানুষের স্বীয় আপন মন ই জানে যে সে  কিসের মধ্যে দিয়ে তাকে জীবন কে অতিবাহিত করতে হয়। জীবনের বৃত্ত ভরাটে ঘোলাট বাধিয়ে ফেললে সেই বৃত্ত ফাঁকা করতে নিজেকে আরেক জনম অপেক্ষার প্রহর গুণে কাটিয়ে পার করতে হয়। জীবনে কোনো কিছুর চ্যালেঞ্জ না ভেবে নেয়ার মতো হতবুদ্ধির প্রমাণ আর কোনো কিছু হতে পারে না। এই যান্ত্রিক জীবনে বা প্রান্তিক জীবনে প্রত্যেকটা মানুষ প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে পাড়ি দিচ্ছে। কেবল সেই ভাল জানে যে একের পর এক সমস্যা আবার সমস্যা এবং আবারো সমস্যার মাঝে উপনীত হতে থাকে। এই সাধারণ স্বল্প জীবনে আমরা সুখ গুলি কে বিসর্জন দিয়ে ফেলি আবেগের উপত্যকায় বসে।

আমার জীবনের বর্তমান অবস্থা কেবল আমি জানি আমি কেমন আছি। আমি কি পারবো আমার এই সমস্যার পাহাড় থেকে বের হয়ে আসতে ? আমি কি পারব এই সমস্যার উপত্যকা থেকে আলোর রাস্তা খুঁজে সফল হতে ? আমি কি আদৌ পারবো পরিমাণমত পরিশ্রম করে সফল হতে ? আমি কি থেকে কি হয়ে গেলাম। কোন পথে নিজেকে হারিয়ে ফেললাম। কই হারিয়ে গেলাম। কত সুন্দর ছিল আমার জীবন। কত সুন্দর সুখী-সৌখিন মানুষ ছিলাম আমি। আমি কি সেই আগের মানুষ টা ই ? আমার মাঝে কি ঠিক আগের তন্ত্রগুলি বহাল রয়েছে ? আমি এই অবস্থান টা কে চরম ভাবে ঘৃণা করি। আমি আমার ভিতরকার জড় বস্তুর ন্যায় থেমে থাকা মানুষ টা কে আর বয়ে নিয়ে যেতে পারছি না। মনে হচ্ছে যেনো কোনো ব্যস্ত শহরের স্টেশনে আমি আমার আমার ভিতরকার মানুষ টা কে ফেলে রেখে এসেছি। অথচ, যে জীবন পার করছি এই জীবন যে কেউ পছন্দ করে না। এই জীবনে না আছে সুখ না আছে প্রশান্তি। এই জীবন কে যে সবাই ছুড়ে মেলে ফেলে দেয়। তবে কেন বা কোন সুখে এই জীবনে আমি থেমে গেছি ?

আমার কাছে কি আমার করা প্রশ্নগুলির যথাযথ উত্তর রয়েছে ? আমার কি করা উচিত তার সমাধান কি আমার মন জানে ? আমি কিভাবে এই জায়গায় থেমে নিজেকে তিলে তিলে ধ্বংস করছি ? আমাকে কেউ পছন্দ করে না। সবাই ঘৃণা করে। অথচ আমি একদিন কত সুন্দর মানুষ ছিলাম। এই জীবন আমাকে বেদনাময় করে তুলছে ক্রমশ। অথচ আমি জানি জীবন কত সুন্দর। আমি আমার মাঝে আমার মনুষ্যত্ব ভরা মানুষ টা কে দেখতে চাই। আমি আমার জগতে ফিরে যেতে চাই। আমি সুখ চাই। আমার মনে প্রশান্তি চাই। আমি এই কষ্টকর উপত্যকায় একা একা আর থাকতে পারছি না। আমি এই পৃথিবী টা কে দেখতে চাই। আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। আমাকে চ্যালেঞ্জ নেয়ার পরের ধাপটুকু নিজেকেই গুছিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এই জীবনে মুহূর্তের জন্য আমি আমার ভিতরের মানুষ টা কে আর রাখতে চাই না। এই জীবন টা কে সবাই ঘৃণা করে। সবাই দূরে ঠেলে দেয়। কেউ কাছে রাখতে চায় না। কেউ না। এভাবে জীবন চালিয়ে নেয়া যায় কি ? হ্যা মহান স্রষ্টা, আমাকে দয়া করুন। আমাকে সাহায্য করুন। আমাকে পথ দেখান। আপনি ব্যতীত কেউ পারবে না আমার জীবনে আলোর প্রতিফিলন ঘটাতে।

Dear Mother I miss you again and again

Dear Mother,

The day you died I saw your face twenty two times. After you died I held you close to me. I knew it would be the last time I held you for the rest of my life. You were so sick, in so much pain; That is no life. I know you were afraid to die. I hope you have found comfort. Do you remember how I held your hand and lay my head on your shoulder?

I saw this monitor before your death:

hospital

I saw this monitor after your death:

hospital 2

Even at that moment I couldn’t imagine life without you. People talk about broken hearts in songs or movies. Until that moment, I had never known a true broken heart. Over and over I thought, “How can I live without you?” I watched you live, I watch you die. Every day I look up at the sky. I know you’re waiting for me. Still a long way to go. Still a long way to meet with you, again.

I miss you Amma.

Dear Mother I Miss You

Dear Mother,

Life would have been simpler if you were here.. It’s okay. Everyone has to leave. Whenever the emptiness strikes me hard, I miss our times…that we spent together. The time we spent together was little. Maybe that’s why, every single memory we created is still,vivid to me.

Still a long way to go. Still a long way to meet with you,again..